ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ‘সাধারণ কিন্তু স্ব-স্ব সক্ষমতা, ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্বশীলতা’ নীতির ভিত্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির পরিমাণ কমপক্ষে ২ ডিগ্রী সেলসিয়াসে সীমিত রাখা এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোতে প্রতিশ্রুত জলবায়ু তহবিল প্রদানে আইনী বাধ্যবাধকতা সম্বলিত আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনের দাবি উত্থাপনে বাংলাদেশকে যথাযথ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছে। ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (ইউএনএফসিসিসি)’র আয়োজনে আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর ২০১৫ ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিতব্য জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন কপ-২১ (COP-Conference of the Parties) উপলক্ষে আজ টিআইবি’র ধানমন্ডিস্থ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।

Read more: প্যারিস সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে দশ দফা দাবি টিআইবি’র

In a severe indictment of the American Intended Nationally Determined Contribution (INDC), Delhi-based Centre for Science and Environment (CSE) has said the US is not doing anything extra for climate change; most of the changes are happening naturally and automatically because of economic reasons and market forces. Worse, improvements are being squandered away because of increased growth and consumption. The Centre released its study – titled ‘Capitan America: US climate goals – a reckoning’ -- here today.

“The US INDC is neither ambitious nor equitable,” said CSE director general Sunita Narain while releasing the report. CSE is the first Southern think tank to have done such a comprehensive analysis of the US’s climate goals.

Read more: USA doing very little to combat climate change: SCE

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকির মুখে থাকা বাংলাদেশকে বিশ্ববাসী রক্ষা করবে-এমন আশায় বসে নেই এই দেশ। বরং সীমিত সম্পদ ও প্রযুক্তি নিয়ে বাংলাদেশ নিজেই নিজের ভবিষ্যতের জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। আর এ কারণেই বাংলাদেশ হচ্ছে উন্নয়নশীল বিশ্বের প্রথম দেশ, যে নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে। একই কারণে পরিবেশের উন্নয়ন ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে সংবিধান পরিবর্তনসহ বেশ কিছু আইনও প্রণয়ন করেছে।

Read more: প্রধানমন্ত্রীর নিবন্ধ : জলবায়ু দুর্যোগে বিশ্বের অপেক্ষায় বসে নেই বাংলাদেশ

জাতিসঙ্ঘ পরিবেশ প্রোগ্রাম- ইউএনইপির ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার নিউ ইয়র্কের একটি অভিজাত হোটেলে ইউএনইপি আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন তিনি। রোববার সন্ধ্যায় এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ইউএনইপির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও জাতিসঙ্ঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অ্যামি স্টেইনার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। পরিবেশের উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলা করতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নীতিনির্ধারণীর ক্ষেত্রে অসামান্য ভূমিকা রাখায় এ বছর ইউএনইপির ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত হন প্রধানমন্ত্রী।

Read more: প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার গ্রহণ

Entries are open for the Global Environmental Prize by the University of St Andrews and independent exploration and production company ConocoPhillips. The prize is inviting individuals, multi-disciplinary teams or community groups with an objective to find innovative solutions to environmental challenges.

Read more: Global Environmental Prize announces