সুন্দরবনে দিনের পর দিন অগ্নি সংযোগের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ- বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি । শুক্রবার কমিটির পাঠানো ওই বিবৃতিতে  সুন্দরবনে ধ্বংসের জন্য সরকারের ভূমিকাকেই দায়ী করেন।  ওই বিবৃতিতে কমিটি দাবী করে সুন্দরবন বিনাশী সরকারি অপতৎপরতাই 
দুর্বৃত্তদের বনলুট ও অগ্নিসংযোগে উৎসাহিত করছে।

Read more: সুন্দরবনকে বাঁচতে দিন- তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাইরেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের ২৫ নম্বর কম্পার্টমেন্টের তুলাতলা এলাকায় লাগা আগুন তৃতীয় দিনেও পুরোপুরি নেভাতে পারেনি বনবিভাগ ও ফায়ার সার্ভিস। ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে এখনো ধোঁয়া উড়ছে। তাছাড়া এবারের আগুন লাগার ধরনটাও আলাদা। পরিকল্পিতভাবে কয়েক কিলোমিটারের ভেতর অন্তত ২০টি স্থানে আগুন দেয়া হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় এবং পানির সুব্যবস্থা না থাকায় আগুন নেভাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই আগুন পুরোপুরি কখন নেভানো যাবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না কেউ। 

Read more: সুন্দরবনে পরিকল্পিত আগুন, ২০ স্থানে একসাথে

অসময়ের হঠাৎ বৃষ্টিতে জনজীবনে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। সিটি করপোরেশন, ওয়াসার নানা পরিকল্পনা ও যন্ত্র আনার গল্প নগরজীবনে উন্নতির কোনো ছাপ ফেলতে পারছে না; বরং চিরচেনা দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। বৃষ্টির পানির সাথে ড্রেনের দুর্গন্ধময় পানি একাকার হয়ে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। ছড়িয়ে পড়ছে নানা রোগব্যাধি। বৃষ্টির সাথে যানজট একে অপরের সঙ্গী হয়ে উঠেছে। আধা ঘণ্টা পথ অতিক্রম করতেই পার হয়ে যাচ্ছে তিন ঘণ্টা। তবে ওয়াসা ও সিটি করপোরেশনের দাবি গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর কোথাও পানি জমেনি।
এ বছর এমনিতেই পুরো বর্ষা মওসুম জুড়ে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা অন্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি। তার ওপর আশ্বিনের শেষ সময়ে এসে হঠাৎ করেই মওসুমি বায়ু সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সোমবারের পর গতকালও সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কখনো হালকা আবার কখনো ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। আর এতেই রাজধানীর চিরচেনা রূপ আবারো হাজির হয়েছে। যে সড়কেই যাওয়া যায় সেখানেই পানি জমে রয়েছে। ড্রেন তো আগেই ভর্তি ময়লা আবর্জনায়, তাই বৃষ্টির পানি যাওয়ার কোনো পথ নেই। এ কারণে এক একটি সড়কই যেন পরিণত হয়েছে বড় ড্রেনে। অলি-গলি থেকে মূল সড়ক সর্বত্রই পানি থই থই করছে। এতে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে নগরবাসীকে।

Read more: সামান্য বৃষ্টিতে আবারো নাকাল রাজধানী

স্মরণকালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় তুষার ঝড় বয়ে চলছে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে। দুই দিন ধরে চলা এ তুষার ঝড়ে প্রায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে ১৯২২ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে এটিই সবচেয়ে শক্তিশালী তুষার ঝড় । জর্জিয়া থেকে নিউ ইয়র্ক পর্যন্ত ১১ টি অঙ্গরাজ্যে ইতোমধ্যে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। প্রায় দশ হাজার ফ্লাইট ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে। বিভিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য অনুযায়ী ১৩ টি অঙ্গরাজ্যের প্রায়  ২ লাখেরও বেশী বাড়িঘর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।  প্রায় ৬০ মিলিয়নের বেশী মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এ তুষার ঝড়ে। ধারণা করা হচ্ছে  প্রায় সারে চার মিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হবে এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে। নিউ ইয়র্ক , ওয়াশিংটন ডিসি, বাল্টিমোর, ও ফিলাডেলফিয়ায় সকল ধরণের জনপরিবহন বন্ধ করা হয়েছে।

Read more: ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মূখে যুক্তরাষ্ট্র

Abbas Pada, 45, pulls rickshaws through the streets of Dhaka, Bangladesh for a living. Every evening, he returns to his living quarters in a slum, where he calculates how much of the day’s meagre earnings goes to food and other necessities.

Life was not always like this for Pada, who until 2011 lived with his wife and three children in Nayakata village in south Bangladesh. His work as a fisherman and day labourer could support his family comfortably, but this stable existence came to an abrupt end when a nearby river - swollen due to rising sea levels - eroded the embankment where the Pada family lived, taking their house with it.

Reeling from the loss of his home, Pada moved to a nearby village to look for work. But employment proved elusive, and he had to take out a high-interest loan to support himself and his family.

Read more: Will climate change spark an Asian migrant crisis?
Page 2 of 5