রাঙামাটি সদর উপজেলার শুকুরছড়ি এলাকায় বাস্তবায়নাধীন ১৩০/১৩২ কেভি (গ্রীড সাব) বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিক হিসেবে সংক্ষুব্ধ হয়ে আদালতে মামলা করেছেন নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট শক্তিমান চাকমা। ওই এলাকায় তার মালিকানাধীন ভূমি থাকার পরও অধিগ্রহণকৃত ভূমির মালিকানা থেকে বাদ পড়ায় এই প্রকল্পের কাজ স্থগিত করার আদেশ চেয়ে রাঙামাটি যুগ্ম জেলা জজ আদালতে তার পক্ষে মামলাটি রুজু করেন রাঙামাটি আইনজীবি সমিতির সভাপতি এডভোকেট প্রতিম রায় পাম্পু।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিবাদীগণকে দুই সপ্তাহের মধ্যে ব্যখা প্রদানের নোটিশ জারি করেছে। ‘কেন এই প্রকল্পের কাজ বন্ধ করার আদেশ প্রদান করা হবে না’ মর্মে ব্যখ্যা চাওয়া হয়েছে নোটিশে। একই আর্জিতে জমির মালিকানার বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য একটি এডভোকেট কমিশন গঠনের প্রার্থনা করা হয়। প্রাথমিক শুনানী শেষে বিজ্ঞ আদালত দুই সপ্তাহ পরে ধার্যকৃত তারিখে এ বিষয়ে শুনানী করা হবে মর্মে আদেশ দেন। আর্জিতে বিবাদী করা হয় উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নকালী নির্মাণ সংস্থা পাওয়ার গ্রীড কোম্পানীর পরিচালক, ওই প্রকল্পের রাঙামাটির আবাসিক প্রতিনিধি উপ-সহকারি পরিচালক এবং রাঙামাটির জেলা প্রশাসককে। রোববার রাঙামাটি জেলার যুগ্ম জজ আজিজুল হক এর আদালতে মামলাটির প্রাথমিক শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। মামলার বাদি শক্তিমান চাকমার সাথে কথা বললে তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তা ও স্থানীয় আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের কয়েকজন নেতা ও স্থানীয় কয়েকজন মিলে আমার অনুপস্থিতিতে আমার জায়গাটি দূর্নীতির মাধ্যমে নিয়ে নিয়েছে। আমাকে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকায়ও রাখেনি। তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ার সাথে স্থানীয় হেডম্যান থেকে শুরু করে প্রশাসনের দায়িত্বশীল লোকেরা জড়িত থেকে আমাকে বঞ্চিত করেছে। এদিকে মামলায় বাদির পক্ষের আইনজীবি এডভোকেট প্রতিম রায় পাম্পু জানিয়েছেন, আদালত আমাদের আবেদনটি আমলে নিয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি সম্পর্কে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন তিনজন বিবাদীকে। আগামী ৫/৬/২০১৬ ইং তারিখে মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।