জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় সরকার ঋণ নেবে, ঋণ নিয়ে কাজ করতে সরকারের কোন অসুবিধা নেই মর্মে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সাথে অর্থমন্ত্রীর ঘোষিত উক্ত অবস্থান পুনর্বিবেচনা করে কোন ঋণ গ্রহণ না করে উন্নয়ন সহায়তার অতিরিক্ত ও নতুন অনুদানের দাবি আসন্ন প্যারিস সম্মেলনে জোরালোভাবে উত্থাপনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে টিআইবি।এক বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে যখন অপরাপর দেশের সাথে বাংলাদেশ আসন্ন প্যারিস চুক্তিতে আইনী বাধ্যতার আওতায় ‘দুষণকারী কর্তৃক ক্ষতিপূরণ’ নীতি মেনে ঋণের পরিবর্তে উন্নয়ন সহায়তার “অতিরিক্ত” ও “নতুন” শুধুমাত্র অনুদানকে স্বীকৃতি দিয়ে জলবায়ু অর্থায়নের সর্বসম্মত সংজ্ঞা নির্ধারণের দাবি উত্থাপন করতে যাচ্ছে ঠিক তখনই সরকারের এই অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তির পথে অন্তরায় হিসেবে কাজ করবে।”

Read more: অনুদানের পরিবর্তে জলবায়ু তহবিল থেকে ঋণ নিতে সরকারের আগ্রহে টিআইবি’র উদ্বেগ প্রকাশ

Centre for Science and Environment (CSE) has called for equity between developed and developing countries in the upcoming climate change negotiations. Speaking to a gathering of journalists from India, South Asia and Africa, CSE Director General SunitaNarain said as the world’s nations prepare for climate change negotiations in Paris later his year, it is important for developing countries to negotiate strongly in Paris. “Climate negotiations are considered by governments to be a soft issue while trade negotiations are given priority. It is critical that countries from South Asia and Africa send their best people and negotiate hard on climate change,” she said.
Read more: CSE’ calls for equity in climate negotiations on Climate Change

In a severe indictment of the American Intended Nationally Determined Contribution (INDC), Delhi-based Centre for Science and Environment (CSE) has said the US is not doing anything extra for climate change; most of the changes are happening naturally and automatically because of economic reasons and market forces. Worse, improvements are being squandered away because of increased growth and consumption. The Centre released its study – titled ‘Capitan America: US climate goals – a reckoning’ -- here today.

“The US INDC is neither ambitious nor equitable,” said CSE director general Sunita Narain while releasing the report. CSE is the first Southern think tank to have done such a comprehensive analysis of the US’s climate goals.

Read more: USA doing very little to combat climate change: SCE

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ‘সাধারণ কিন্তু স্ব-স্ব সক্ষমতা, ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্বশীলতা’ নীতির ভিত্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির পরিমাণ কমপক্ষে ২ ডিগ্রী সেলসিয়াসে সীমিত রাখা এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোতে প্রতিশ্রুত জলবায়ু তহবিল প্রদানে আইনী বাধ্যবাধকতা সম্বলিত আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনের দাবি উত্থাপনে বাংলাদেশকে যথাযথ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছে। ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (ইউএনএফসিসিসি)’র আয়োজনে আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর ২০১৫ ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিতব্য জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন কপ-২১ (COP-Conference of the Parties) উপলক্ষে আজ টিআইবি’র ধানমন্ডিস্থ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।

Read more: প্যারিস সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে দশ দফা দাবি টিআইবি’র

জাতিসঙ্ঘ পরিবেশ প্রোগ্রাম- ইউএনইপির ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার নিউ ইয়র্কের একটি অভিজাত হোটেলে ইউএনইপি আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন তিনি। রোববার সন্ধ্যায় এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ইউএনইপির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও জাতিসঙ্ঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অ্যামি স্টেইনার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। পরিবেশের উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলা করতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নীতিনির্ধারণীর ক্ষেত্রে অসামান্য ভূমিকা রাখায় এ বছর ইউএনইপির ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত হন প্রধানমন্ত্রী।

Read more: প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার গ্রহণ